ভালাবাসা জিন্দাবাদ – পারিবারিক ছবি, দেখার মতো ছবি

দেবাসিষ বিশ্বাস পরিচালিত ছবি “ভালাবাসা জিন্দাবাদ” মুক্তি পেয়েছে ৮ নভেম্বর। বাংলা ছবির গতানুগতিক গল্প, ঝকমক নাঁচ, মারপিট, হাস্যকর ডাইলগ ও অতিরঞ্জিত অভিনয় ছাড়াও দর্শকেরা এবার আরো নতুন কিছূর স্বাদ পেয়েছে। যেমন ছবির নায়ক নায়িকা আরেফীন শূভ ও আরিন সুলতানার আধুনিক উপস্থাপন, গানের চিত্রায়ন, গুন্ডা বাহিনীর পেট ফাটানো হাস্যরস ও অভিনেতা-অভিনেত্রী পোষাকে নতুনত্ব আছে।

আরেফীন শুভ’র অভিনয় চমৎকার হয়েছে।পরিচালক আরিন সুলতানা আর আরেফীন শুভ জুটির চমৎকার রসায়ন ঘটিয়েছেন। নীতিবাচক চরিত্রে নায়িকার বাবা হিসেবে সাদেক বাচ্চূর অভিনয় অসাধারন। যদিও ছবির গল্প গতানুগতিক -কলেজ প্রেম, নয়িকার ক্ষমতাশালী বাবা, নায়ককে পেটাতে গুন্ডা বাহিনী পাঠানো, নাযিকাকে আটকে রাখা ও নায়ক এসে নায়িকাকে উদ্ধার অতঃপর বাবা কতৃক মেয়ে জামাই এর স্বীকারক্তি তবে গুন্ডা বাহিনীর সংলাপগুলো গতানুগতি বাংলা ছবির চেয়ে অনেক ভিন্ন, মজাদার। পরিচালক  দেবাশিষ বিশ্বাষ হাস্যরস ও সুচিন্তিত চিত্রায়নের মাধ্যমে র্নিমল বিনোদন দেবার র্সবোচ্চ চেষ্টা করেছেন। সফল ও হয়েছেন।

প্রোডাকশনে পেশাদার ডিজাইনার ও স্টাইলিস্ট থাকায় নাঁচ, পোষাক র্নিবাচন, গ্ল্যামার-সবকিছুর সমন্বয় ছিল ভালো। গানের ক্ষেত্রে শুধূমাত্র শেষের গানটি ছাড়া অন্য গানগুলো ভারতীয় শিল্পীর গাওয়া যা তাদের উচ্চারন থেকেই বোঝা যায় – কানে ঠেকে। নায়ক-নাকিয়ার কোন বন্ধু বা বান্ধবী ছিলনা যা বাস্তব জীবনে ও বাংলা ছবিতে অসংগতির্পূন।

পরিচালক গানসহ বেশীর ভাগ রাস্তার দৃশ্যায়ন হাতির ঝিল-এ করেছেন যা ছবিটিকে অন্যমাত্রা দিয়েছে। মারামারি গুলো ছিল অনেক মজার যাতে খুব বেশী সহিংতা বা রক্তারক্তি ছিল না। তবে ছবিটির পরিব্যপ্তি একটু বেশীই, একটু কম করা যেতে পারতো। ক্লাইমেক্স ছিল না ।

সবকিছু মিলিয়ে পারিবারিক ছবি হিসেবে ছবিটা ভালো।

Postedxxx in বিনোদন

মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবেনা। পুরন করা জরুরী *

*

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>

জরিপ

ব্যাংকিং খাতের অবস্থা কি ভালো বলে আপনি মনে করেন?

Loading ... Loading ...
ফেসবুক এ আমরা