বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা এখন অনেক দক্ষ ও পরিণত

বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা বিচক্ষনতা ও দক্ষতার সাথে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। এদেশের ব্যবসায়ীরা নিজেদের মেধা ও মননকে কাজে লাগিয়ে প্রায় সকল ক্ষেত্রেই দক্ষতার প্রমাণ দিচ্ছে। বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা এখন শুধু দেশেই নয় আর্ন্তজাতিক বাজারেও দেশের সুনাম বৃদ্ধি করছে। পাট,বস্ত্র,ইস্পাত,ঔষধ,তৈরী পোশাক,জাহাজ নির্মাণসহ প্রায় সকল ক্ষেত্রেই দক্ষতার মাধ্যমে অপার সম্ভবনা জাগিয়ে তুলেছে।এক্ষেত্রে কয়েক জন ব্যবসায়ীর নাম না বললেই নয়। এদের মধ্যে রয়েছে বেক্সিমকো গ্রুপ এর প্রতিষ্ঠাতা সালমান এফ রহমান, স্কয়ার গ্রুপের স্যামসন এইচ চৌধুরী, নিটল নিলয় গ্রুপের মাতলুব আহমেদ এবং বসুন্ধরা গ্রুপের আহমদ আকবর সোবহান।

বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের দক্ষতার আরও প্রমাণ পাওয়া যায় তাদের ব্যক্তিগত কিছু অর্জন দিয়ে।যেমনঃ বিশ্বের শীর্ষ ১০০ ধনী ব্যক্তিদের তালিকায় প্রথমবারের মতো উঠে এসেছে বাংলাদেশী ব্যবসায়ী সালমান এফ রহমানের নাম। তিনি ১৩০ কোটি ডলারের মালিক। প্রতি ডলার ৮০ টাকা হিসাবে এ সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ১০ হাজার ৪০০ কোটি টাকা। অপরদিকে মুসা বিন শমশের আর্ন্তজাতিকভাবে পরিচিত ‘এ ম্যান উইথ গোল্ডেন গান’ নামে। সাথে সাথে বেক্সিমকো ফার্মা ও স্কয়ার গ্রুপ বিশ্ববাজারে মানসম্মত ঔষধ রপ্তানির মাধ্যমে সারা বিশ্বে নাম কুড়িয়েছে।

পড়ুনঃ ঔষধশিল্প ও ইপিজেডগুলো বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে এবং ভাবমূর্তি উজ্জল করছে – সালমান এফ রহমান

এছাড়া আমরা যদি সেক্টর ভিত্তিতে লক্ষ করি তবে দেখতে পারবো প্রতিটা সেক্টরেই বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা বিচক্ষনতার পরিচয় দিয়েছে। নানা রকম প্রতিবন্ধকতার সত্ত্বেও বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা তৈরী পোশাক শিল্প খাতটিকে সবচেয়ে লাভজনক খাতে পরিনত করেছে। প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ভালো করছে বেক্সিমকো গ্রুপ তবে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলো কোন অংশে পিছিয়ে নেই। যেমন ওয়ালটন গ্রুপ এখন ইলেক্ট্রনিকস পন্য তৈরি ও রপ্তানি করছে। এভাবে এ সেক্টরেও ব্যবসায়ের নতুন দিক উন্মোচন হচ্ছে। বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা শুধু পরিচিত খাতগুলোতেই তাদের ব্যবসাকে সীমাবদ্ধ রাখছেনা তারা ব্যবসায়ের নতুন নতুন খাত সৃষ্টি করছে।ইস্পাত শিল্প, জাহাজ নির্মাণ শিল্পর মত সেক্টরগুলো পূর্বে যা কল্পনাতেও আনা যেত না সেই সেক্টরগুলোতে সালমান এফ রহমানের মতন বাংলাদেশী ব্যবসায়ীরা অপার সম্ভবনা জাগিয়ে তুলেছেন নিজেদের দক্ষতা দিয়ে।

জিরো থেকে হিরো বলে একটি কথা আছে তা বোধ হয় বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের জন্যই প্রযোজ্য। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পর যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশটি বলতে গেলে শূন্য থেকেই শুরু করেছিল। স্বাধীনতার মাত্র ৪৭ বছর পর দেশটী আজ কোথায় পৌছে গেছে।এই অগ্রগতির পিছনে একটি বড় অবদান রয়েছ বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের। স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ সম্পর্কে কেউই হয়তো ধারনা করতে পারেনি যে দেশটি এত অল্প সময়ে ব্যবসায় এত এগিয়ে যাবে। আজ আর্ন্তজাতিক বাজারে বেক্সিমকো গ্রপ,স্কয়ার গ্রুপ, প্রান গ্রুপ,নিটল নিলয় গ্রুপ, বসুন্ধরা গ্রুপ খুবই পরিচিত নাম। এ থেকে বুঝা যায় বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা এখন কতটা পরিণত ও দক্ষ।আর্ন্তজাতিকভাবেই বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের দক্ষতার স্বীকৃতি দেয়া হচ্ছে পুরষ্কার দেয়ার মাধ্যমে। আনায়াসে এটা বলা যায় বাংলাদেশ বর্তমানে বিনিয়োগের এক অপার সম্ভবনার ক্ষেত্রে পরিনত হয়েছে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের বিচক্ষনতায়।

পড়ুনঃ  যেভাবে বেক্সিমকো সহ বাংলাদেশের অন্যান্য কোম্পানিগুলো সমাজের জন্য কাজ করছে

 

Tagged with: , , , ,
Postedxxx in অর্থ-বাণিজ্য, নির্বাচিত

মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবেনা। পুরন করা জরুরী *

*

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>

জরিপ

ব্যাংকিং খাতের অবস্থা কি ভালো বলে আপনি মনে করেন?

Loading ... Loading ...
ফেসবুক এ আমরা